প্রোগ্রাম তৈরির পদ্ধতি

প্রোগ্রামিং এর প্রাথমিক ধারণা

একটি প্রোগ্রাম (Program) তৈরির কিছু ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপ হল আপনাকে প্রোগ্রাম বা কোড (Code) লিখবার জন্য একটি টেক্সট এডিটর (Text Editor) ব্যবহার করতে হবে, যেখানে আপনি আপনার প্রোগ্রামটি লিখবেন। যেকোনো সাধারণ টেক্সট এডিটরেই প্রোগ্রাম লিখা সম্ভব, তবে প্রোগ্রামিং কে সহজ ও দ্রুততর করতে প্রোগ্রামিং এর জন্য বিশেষভাবে তৈরি কোড এডিটর ব্যবহারের বিকল্প নেই।

এই ই-শিক্ষা প্ল্যাটফর্মের কোডল্যাব তেমনি একটি অনন্য অনলাইন কোড এডিটর। এটি শুধু আপনার প্রোগ্রাম লিখার কাজকে সহজ ও দ্রুততরই করবে না, বরং এর পাশাপাশি আপনার লিখা প্রোগ্রাম যাচাই করে ও সম্ভাব্য ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে আপনাকে একজন দক্ষ প্রোগ্রামার হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।

টেক্সট এডিটরে আপনি যে কোড লিখবেন, তাকে বলা হয় প্রোগ্রাম বা সোর্স কোড (Source Code) । সোর্স কোড হচ্ছে বেশ কিছু আদেশ বা কমান্ড এর সমন্বয় যা কম্পিউটারকে একের পর এক পালন করতে বলা হয়। সোর্স কোড লিখা হয়ে গেলে তার পরের ধাপ হচ্ছে কোডটি রান করা বা চালিয়ে দেখা। সোর্স কোডের কমান্ডগুলো আপনি আপনার কোড এডিটরে লিখে যখন রান করবেন, তখন C (প্রোগ্রামটি C প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা হয়েছে বলে ধরে নিচ্ছি) প্রোগ্রামিং ভাষার কম্পাইলার (Compiler) আপনার C ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামটিকে কম্পিউটারের ভাষায় (মেশিন কোড) অনুবাদ বা ট্রান্সলেট করবে। কম্পিউটারের ভাষায় ট্রান্সলেট করার পর কম্পাইলার সেই মেশিন কোডটি লিংকার নামের আরেকটি প্রক্রিয়াকরণ ধাপের মধ্যে দিয়ে নিয়ে একটি প্রোগ্রাম এক্সিকিউটেবল (Executable) ফাইল তৈরি করবে। এরপর সেটিকে কম্পিউটারের মেমোরি (Memory) তে লোড করবে আপনার প্রোগ্রামটি রান করার জন্য। এ পর্যায়ে আপনার কম্পিউটারের প্রসেসর (Processor) মেমোরি থেকে একটির পর একটি কমান্ড পড়বে এবং আপনার কোডে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা পালন করতে শুরু করবে। এর পরবর্তী ধাপে আপনি যাচাই করে দেখবেন যে, যে কাজটি সম্পন্ন করা আপনার লক্ষ্য ছিল, সেটি আপনার প্রোগ্রাম কম্পিউটারকে দিয়ে ঠিকঠাক করিয়ে নিতে পারছে কিনা।

কম্পাইলার এবং লিংকারের ব্যাপারে আরো জানতে হলে “প্রোগ্রামিং ভাষা ও কম্পাইলার” এবং “কম্পাইলার ও লিংকার” এই টিউটোরিয়াল দুটো পড়তে পারেন। তবে শুরুতেই হয়ত এই বিষয়গুলো আপনাদের কাছে অনেক জটিল মনে হতে পারে। কাজেই চলুন প্রথমে আমরা সহজ কিছু প্রোগ্রাম লিখি।

LEAVE A REPLY