টিপু সুলতান- এর ত্রি কবিতা

পায়ের ছাপ
টিপু সুলতান

পূর্ণদৈর্ঘ্য সমুদ্র;মুদ্রিত বালুচর
ঘাসপাতার ম্যাগাজিন পড়তে পড়তে দীর্ঘ হয় যুগ
সাদা কালো জৈব পৃথিবীর পাঠশালায় আসে-
পায়ের গ্রীবা ভেঙে উড়ে যায় ঘাস ফড়িং

যেথা থেকে শুরু করেছিল সুখ তাঁর নিজস্বতা নিয়ে
ভাবনার প্রতীক্ষাহিমে নরম হৃদপিণ্ড ডুবিয়ে-
জেঁকে বসা মন খারাপের জ্বর,নিয়তি পোড়ার আগে
বসন্তের লাল শিমুল নির্ভারে ঘন জীবন ওড়ায়!

এ আমার শেষ স্টপেজ,এ আমার মজবুত প্রাসাদ;

কেবল নির্জন চরিত্র
টিপু সুলতান

সুউচ্চ পাহাড় আমাকে একমুঠো স্বপ্ন দিতে চেয়েছিল
আমি জঙ্গলময় ছায়া ছিলাম,অন্ধকারের মত মৃত রাত
গায়েরচামড়া কালো হাত-পায়ের নখ শ্বেতাভ বন্যের মতো;

বত্রিশ যুগ পড়েছিলাম অখণ্ড অবসরে জমকালো ঝড়ের
ব্জ্র গম্বুজ শহরে।গাছের ডাল ভেঙে পড়ে ঘুম জড়ানো
কালো চুলের সিথানে,মেঘে ভাসা আধমরা নক্ষত্র জ্বলে
অথচ পৃথিবী দেখা যায় না।কেবল নির্জন চরিত্র;
আমি আড়মোড়া ভেঙে রাজি হলাম-পূর্ণদৈর্ঘ্য স্বপ্ন দেখতে
পাহাড় আমাকে সূর্যের বাড়ি নিয়ে গেল।বেশ দৃষ্টিনন্দন!

চোখদুটো স্ববাক
টিপু সুলতান

আমার হাতকড়া খুলে দাও।

মগজের ভেতর দেশপ্রেম উত্তালতার ছায়া শরীর ঘিরে
চোখদুটো স্ববাক,অক্লান্ত মন চির তারুণ্যে মুদ্রিত
প্রেমের সংগীত গাইতে গাইতে শহীদ মিনারের দিকে যায়

চারদিক ঘোর,শ্লোকেরছটা মহাশ্মশানে মৃত মহাসুর,
আমি শুনি শব্দবলী পাঠ-অনাবিল গলাফাঁড়া চিৎকার
নদী গায় সমুদ্রের গান,পাখি ছোঁয় আকাশ
রাখালের গোধূলি পশ্চিমাভিমুখ,মগজ হাঁটে ধূলিময় পথঘাট-

LEAVE A REPLY