ওয়েব সার্ভার কিভাবে কাজ করে? ওয়েব সার্ভার কাকে বলে?

0
ওয়েব সার্ভার কাজ করে যেভাবে

ওয়েব সার্ভার কিভাবে কাজ করে?, ওয়েব সার্ভার কাকে বলে? বা ওয়েব সার্ভার কি?
ওয়েব পেইজ বা ওয়েবসাইট এর ডাটা সংরক্ষিত থাকার স্থানকে ওয়েব সার্ভার বলে । ওয়েব ব্রাউজারে যখন কোন কিছু লিখে ইন্টার বাটনে ক্লিক করা হয়, তখন ওয়েব সার্ভার থেকে তথ্য ওয়েব ব্রাউজারে কাঙ্খিত কনটেন্ট দেখা যায়। ওয়েব সার্ভার একটি এ্যাপ্লিকেশনের হল চলন্ত অনুরোধ যা ব্যবহারকারী থেকে অনুরোধ গ্রহণ করে ও কাঙ্খিত অনুরোধের প্রতিউত্তর দেয়। সার্ভার যে কোন কম্পিউটারে চলতে পারে। শুধু সার্ভারের কাজে নিয়োজিত করা কম্পিউটারকে একক ভাবে “সার্ভার” উপলব্ধ হয়। অনেক ক্ষেত্রে একটি কম্পিউটার বিভিন্ন সেবা দিতে পারে এবং বিভিন্ন সার্ভার চালু থাকতে পারে। ডাটা সিকিউরিটির জন্য শুধুমাত্র সার্ভারের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত থাকে অনেক কম্পিউটার। বিশেষ কম্পিউটারে চালানোর জন্য বেশিরভাগ সার্ভারই দুর্দান্ত প্রক্রিয়ার এবং ডিজাইন করা হয়।

সার্ভার হল কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা চলছে অন্যান্য প্রোগ্রামের (ক্লায়েন্ট/ব্যবহারকারী) অনুরোধ সেবা দেওয়ার জন্য। সার্ভার পরিচালিত হয় ক্লায়েন্ট-সার্ভার ডিজাইনে । সার্ভার ব্যবহারকারীর হয়ে অনেক কাজ করে। ব্যবহারকারীকে ডাটা, তথ্য, সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারের সম্পদ ভাগাভাগি করার সুবিধা প্রদান করে। ব্যবহারকারী সাধারণত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভারে যুক্ত হয়। আবার একই কম্পিউটারে সার্ভার থাকতে পারে। ইন্টারনেট প্রটোকল নেটওয়ার্কিংয়ের আলোকে সার্ভার হল একটি প্রোগ্রাম যা পরিচালিত হয় সকেট লিসেনার হিসেবে।

ওয়েব

বিশ্বব্যাপী ৪ বিলিয়ন মানুষ আজ অন্তজালে(ইন্টারনেট) সংযুক্ত। খুব শীঘ্রই বিশ্বের প্রতিটি মানুষ সংযুক্ত হবে এক অপরের সাথে বিনা সুতার জালে। মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় অন্তজাল। যা জীবনকে করেছে সহজ, দুর কে করেছে নিকট। অন্তজাল শুধুমাত্র একটি ডিভাইসের সাথে আর একটি ডিভাইসের সংযোগ নয়; তা ব্যবহারে জীবনকে করা যায় সৃজনশীল ও গতিময়। এমনকি বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ ব্যাক্তিগণ অন্তজাল কেন্দ্রিক কিংবা প্রযুক্তি ব্যবসায় নিজেদের প্রতিপত্তি, অর্থ-বিত্ত, সম্মান সব কিছু অর্জন করছেন। তবুও শুধুমাত্র অন্তজাল দিয়ে কিছুই করা যেত না, যদি না বিলিয়ন+ ওয়েবের উপস্থিতি না থাকত। ওর্য়াল্ড ওয়াইড ওয়েব বা বিলিয়ন ওয়েবসাইট আজ আমাদের হাজারো তথ্য, অর্থ, বিনোদনসহ হাজারো সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। অসংখ্য মানুষের নতুন নতুন কর্মসংস্থান এর সুযোগ করে দিয়েছে ওর্য়াল্ড ওয়াইড ওয়েব বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

তথ্যপ্রযুক্তির যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে, অন্তজাল ব্যবহার করে আপনি একজন তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রিক উদ্যক্তা হতে পারবেন সহজেই অথবা নিজেই একটি ভাল স্থায়ী বা মুক্তভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন । তথ্যপ্রযুক্তিময় যুগে তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষ কর্মী তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলা ডেস্ক। তারই অংশ হিসেবে এই নিবন্ধে ওয়েবের কিছু মৌলিক বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোকপাত। ঘরে বসে বাংলায়  দক্ষতা অর্জন করার জন্য খুব শীঘ্রই ‘বাংলা ডেস্ক একাডেমী’ বিভিন্ন বিষয়ের অসংখ্য ফ্রি কোর্স অন্তজালে প্রকাশ করবে। নিম্নে অন্তজালের তথ্যভাণ্ডার ওয়েব সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো।

ওয়েব/ওয়েবসাইট কি

ওয়েবসাইট ( website) বা ওয়েব সাইট হল কোন ওয়েব সার্ভারে রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সম্পূর্ণতাকে বোঝায়, যা অন্তজালে বা ল্যানের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যায়। ওয়েব পৃষ্ঠা মূলত একটি এইচটিএমএল(HTML) ডকুমেন্ট, যা এইচটিটিপি(HTTP) প্রোটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার থেকে অন্তজাল ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজারে স্থানান্তরিত হয়। সমস্ত প্রকাশিত ওয়েবসাইটগুলিকে সমষ্টিগতভাবে “ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব” বা “বিশ্বব্যাপী জাল” বলা হয়।

ওয়েব ২.০

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের একটি নতুন ধরনকে ওয়েব ২.০ ( Web 2.0) বলে । এই নতুন ধরনটি বেশ কয়েক বছর থেকে পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। যার মূল লক্ষ্য ওয়েবের সৃজনশীলতা, পারস্পরিক যোগাযোগ, নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান, সহযোগিতা এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এই নতুন ধরন ওয়েবে বেশ কিছু সাংস্কৃতিক ও কারিগরি পরিজনবর্গের উদ্ভব করেছে।  যার মধ্যে বিভিন্ন হোস্টিং সেবাও রয়েছে। এই নতুন পরিজনবর্গ ও সেবাগুলির মধ্যে আছে সামাজিক নেটওয়ার্কিং ভিত্তিক ওয়েবসাইট, ভিডিও অংশীদারী ওয়েবসাইট, উইকি, এবং ব্লগ। ২০০৪ সালে ও’রাইলি মিডিয়ার ওয়েব ২.০ সম্মেলনের পর থেকেই এই নতুন ধরনটি সম্পর্কে সচেতনতার সৃষ্টি হয়।

ওয়েব ২.০ এর মাধ্যমে ওয়েবের নতুন সংস্করণের কথা বলা হলেও এটা আসলে নতুন কোন সফ্‌টওয়্যার প্লাটফর্ম বা কারিগরি বিষয়ে নতুন কোন প্রজন্মকে নির্দেশ করে না। অর্থাৎ কারগরি দিক দিয়ে ওয়েব আর ওয়েব ২.০ এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। পার্থক্য আছে ব্যবহার এবং উপযোগিতায়। অর্থাৎ ইতোমধ্যে বিদ্যমান সফ্‌টওয়্যারগুলো কীভাবে এবং কী উদ্দেশ্য ব্যবহার করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করেই ওয়েব ২.০ কে আলাদা করা হয়। এ সম্পর্কে বিল ও’রাইলি বলেন, “ Web 2.0 is the business revolution in the computer industry caused by the move to the Internet as a platform, and an attempt to understand the rules for success on that new platform “

কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক টিম বার্নার্স-লি ওয়েব ২.০ এর ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। তিনি এ ধরনের পার্থক্যীকরণকে অমূলক বলেছেন। এ সম্পর্কে তার যুক্তি হলো, ওয়েব ২.০ শব্দটিকে যৌক্তিক উপায়ে ব্যবহার করা সম্ভব না। কারণ, ওয়েব ২.০-তে যে প্রযুক্তিগত উপাদানগুলি ব্যবহার করা হয় সেগুলো ওয়েবের শুরুর দিক থেকেই ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটিং সার্ভার

সার্ভারগুলো প্রায়শই একটি নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে সেটা হতে পারে একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরের ব্যবহারকারীদের জন্য অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনসাধারনের জন্য। সাধারণত কম্পিউটিং সার্ভার হল ডাটাবেজ সার্ভার, ফাইল সার্ভার, মেইল সার্ভার, প্রিন্ট সার্ভার, ওয়েব সার্ভার, গেমিং সার্ভার এবং এ্যাপ্লিকেশন সার্ভার। অসংখ্য সিস্টেম ব্যবহার করে তাদের ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কিং প্রতিরূপ যাতে ওয়েব সাইট এবং ইমেইল সেবাও রয়েছে। অন্য একটি বিকল্প মডেল বা আদর্শ হল পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কিং বা স্তর-থেকে-স্তরে নেটওয়ার্কিং, এর মাধ্যমে সব কম্পিউটারই প্রয়োজন অনুসারে হয় সার্ভার না হয় ব্যবহারকারী হিসেবে কাজ করে।

যেমন, আপনি কম্পিউটারে ইচ্ছামত ওয়েব ব্রাউজ করছেন। এমন সময় আপনার স্মার্টফোনে টুং করে একটা আওয়াজ হল। ফোন হাতে নিয়ে দেখলেন মেসেঞ্জারে একটি মেসেজ এসেছে। আপনার বন্ধু আপনাকে বাংলা ডেস্কের ওয়েব এড্রেস পাঠিয়েছে। আপনি লিংকের উপর ক্লিক করা মাত্রই সেই লেখাটি আপনার স্মার্টফোনের পর্দায় ভেসে উঠল!

প্রতিদিনেই আমরা বিভিন্ন লিংকে ক্লিক করে থাকি। কিন্তু একবার ভেবে দেখি কি পুরো কাজটা কীভাবে হয়? কীভাবে মুহূর্তের মাঝে ব্রাউজারে ভেসে উঠে একটি আস্ত ওয়েবপেইজ? এর পেছনের কৌশলটা কী?
যখন কোনো ওয়েব এড্রেসে ক্লিক করা হয়, ডিভাইসের ওয়েব ব্রাউজার ওয়েব সার্ভারের সাথে একটি সংযোগ তৈরি করে, ওয়েবপেইজটি দেখানোর জন্য অনুরোধ করে এবং সবশেষে ওয়েবপেইজটিকে গ্রহণ করে ব্রাউজারে প্রদর্শন করে।

ওয়েব সার্ভার সম্পর্কে আরো কিছু টার্মিনোলজি

সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে বুঝতে হলে আরও কিছু প্রাথমিক বিষয় জানা দরকার। যখন একটি URL(Uniform Resource Locator) এ ক্লিক করা হয়, তখন ব্রাউজার URL টিকে তিনটি অংশে বিভক্ত করে:

• প্রোটোকল (‘https’)
• সার্ভারের নাম (www.bndesk.com)
• ফাইলের নাম (‘web-server.htm’)

ব্রাউজার একটি ডোমেইন নাম সার্ভারের (DNS) এর সাথে সংযোগ করে সার্ভারের নামটিকে একটি আইপি অ্যাড্রেসে এ পরিণত করে। আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ব্রাউজারটি সার্ভার মেশিনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। HTTP প্রোটোকল অনুসরণ করে ব্রাউজারটি সার্ভারের কাছে ফাইলটি চেয়ে একটি GET অনুরোধ পাঠায়। তৎক্ষণাৎ সার্ভারটি সেই ওয়েবপেইজের একটি HTML TEXT রিকুয়েস্টকৃত ডিভাইসের ব্রাউজারের কাছে পাঠায়। এরপর ব্রাউজারটি HTML TAG গুলোর ফরম্যাট ঠিকঠাক করে ডিভাইসের স্ক্রিনে প্রর্দশন করে।

আরও ভালোভাবে বিষয়গুলো বুজতে হলে আমাদেরকে ক্লায়েন্ট, সার্ভার, IP Address, পোর্ট, প্রোটোকল- এগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।

ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার

অন্তজালে সংযুক্ত সকল মেশিনকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ক্লায়েন্ট/ব্যবহারকারী ও সার্ভার। যে মেশিনগুলো অন্যান্য মেশিনকে সার্ভিস প্রদান করে অর্থাৎ ওয়েবপেইজ প্রদান করে সেগুলো হলো সার্ভার। অন্যদিকে যেসব মেশিন সেই সার্ভিসটি নেয় তারা হলো ক্লায়েন্ট। আপনি যখন bndesk.com এর সাথে আপনার ডিভাইসকে সংযুক্ত করছেন, তখন বাংলা ডেস্কের একটি মেশিন আপনার অনুরোধ অনুসারে সার্ভিস প্রদান করছে। বাংলা ডেস্কের মেশিনটি আপনাকে ওয়েবপেইজ প্রদর্শন করছে। ওয়েবপেইজ প্রদর্শন করার জন্য সেটাকে বলা হয় সার্ভার। অন্যদিকে আপনি আপনার ডিভাইস দিয়ে সার্ভিসটি নিচ্ছেন, তাই আপনার ডিভাইসটি হল ইউজার মেশিন বা ক্লায়েন্ট/ব্যবহারকারী।

আইপি অ্যাড্রেস

অন্তজালে প্রতিটি মেশিনের অনন্যতা বজায় রাখার জন্য প্রত্যেকটি ডিভাইসের ইউনিক অ্যাড্রেস থাকে। এই অ্যাড্রেস কে IP Address(Internet Protoco) বলা হয়। আইপি অ্যাড্রেস মূলত ৩২ বিটের একটি সংখ্যা। আইপি অ্যাড্রেসের ফরম্যাটের উদাহরণ: 182.48.69.42

গুগলে সার্চ করে আপনার ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেসে দেখতে পারবেন
my ip

প্রতিটি সার্ভারের ইউনিক আইপি অ্যাড্রেস থাকে, যা সাধারণত খুব বেশি পরিবর্তিত হয় না। আবার প্রতিটি ব্যবহারকারী ডিভাইসেরও আলাদা আইপি অ্যাড্রেস থাকে। প্রতিবার ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পরে ডিভাইসের ISP একটি অ্যাড্রেস ডিভাইসটিকে বরাদ্দ করে। এই ক্ষেত্রে অবশ্য প্রতিবার ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার সময়ে ক্লায়েন্টের আইপি অ্যাড্রেস এক নাও থাকতে পারে।

ডোমেইন নাম

একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য ৩২ বিটের একটি সংখ্যা মনে রাখা বেশ ঝামেলার। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতেই ডোমেইন নামের উদ্ভব। তাছাড়াও সার্ভারের আইপি অ্যাড্রেসের পরিবর্তন ঘটতে পারে। তাই এমন একটি ব্যবস্থা দরকার, যা স্থায়ী এবং সহজে মনে রাখা সম্ভব। যেমন, bndesk.com নিঃসন্দেহে একটি ৩২ বিটের আইপি এড্রেসের তুলনায় সহজে মনে রাখা সম্ভব। এখানে ডোমেইন নেম হলো bndesk.com

ডোমেইন নাম সার্ভার (DNS)

যখন আপনার ডিভাইসের ব্রাউজার অ্যাড্রেস বারে bndesk.com টাইপ করছেন, তখন কিন্তু এই অ্যাড্রেস দিয়েই সার্ভারের সাথে আপনার ব্রাউজার সংযোগ স্থাপন করতে পারে না। ডিভাইসগুলোর একটি আলাদা ৩২ বিটের আইপি আছে। কিন্তু আপনার ইনপুট করা এড্রেসটি ৩২ বিটের ফরম্যাটে নেই। তখন ব্রাউজার কী করে?

ব্রাউজার যে কাজটি করে তা হল, সে একটি ডোমেইন নাম সার্ভারের কাছে আপনার দেওয়া অ্যাড্রেসটি পাঠায় এবং সেই সার্ভার bndesk.com এর জন্য ব্যবহৃত সেই আইপি অ্যাড্রেসটি ব্রাউজারকে ফেরত পাঠায়।
ডোমেইন নেম সার্ভারকে অনেকটা টেলিফোন ডিরেক্টরির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। টেলিফোন ডিরেক্টরিতে যেমন প্রত্যেকের নামের পাশে টেলিফোন নাম্বার সংরক্ষিত থাকে, একইভাবে ডোমেইন নাম সার্ভারের কাছে প্রতিটি ডোমেইন নামের আইপি অ্যাড্রেস সংরক্ষিত থাকে। ডোমেইন নাম সার্ভার (DNS) থেকে প্রাপ্ত আইপি অ্যাড্রেসের সার্ভারের সাথে ব্রাউজার সংযোগ স্থাপন করে কাঙ্খিত সেবা প্রদান করে।

পোর্ট

কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের ব্যবহারকারী প্রতিদিনই বাড়ছে। তাই প্রতিটি সার্ভিসকে আলাদাভাবে চিনতে পারার জন্যই পোর্টের ধারণার উৎপত্তি। ব্যবহারকারী মেশিন কোনো সার্ভারে একটি অনুরোধ পাঠায় যা ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (FTP) সার্ভারে রয়েছে, তখন অনুরোধটি পাঠানোর জন্য আপনার মেশিনের ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) সফটওয়্যার লেয়ার পোর্ট নাম্বার 21 কে চিহ্নিত করে। সার্ভারের TCP লেয়ার পোর্ট নাম্বার 21 দেখলে অনুরোধটি তার FTP প্রোগ্রামে পাঠায়। পোর্ট নাম্বারের সীমা 0 থেকে 65535 পর্যন্ত হতে পারে। তবে 0-1023 সবথেকে জনপ্রিয়। কারণ, সবথেকে জনপ্রিয় সার্ভিসগুলোই এই সীমার মধ্যে আছে। যেমন FTP এর জন্য 21, HTTP এর জন্য 80, HTTPS এর জন্য 443, SSH এর জন্য 22।

সবকিছু আবার একসাথে মিলিয়ে নেয়া যাক। আপনি যখন ব্রাউজারে https://bndesk.com টাইপ করছেন তখন এই সম্পূর্ণ URLটি মোট তিনটি অংশে বিভক্ত হল।

• প্রোটোকল (https)
• সার্ভারের নাম (www.bndesk.com)
• ফাইলের নাম(post.htm)

ব্রাউজার একটি ডোমেইন নাম সার্ভারের সাথে সংযোগ করে www.bndesk.com কে একটি আইপি অ্যাড্রেসে পরিণত করে নেয় এবং এই আইপি দিয়েই বাংলা ডেস্কের সার্ভার মেশিনের সাথে সংযোগ করে। ব্রাউজারটি পোর্ট 80 ব্যবহার করে ওয়েব সার্ভারের সাথে সংযোগ করে। https প্রোটোকল অনুসরণ করে ব্রাউজারটি সার্ভারকে https://www.bndesk.com/post.htm ফাইলটি চেয়ে একটি GET অনুরোধ পাঠায়। এরপরের কাজটি করে বাংলা ডেস্কের সার্ভার মেশিন। মেশিনটি অনুরোধকৃত ফাইলের HTML Text ব্রাউজারকে পাঠায়। পরবর্তীতে ব্রাউজারটি HTML ট্যাগগুলো ঠিকঠাক ফরম্যাট করে সম্পূর্ণ ওয়েবপেইজটি প্রদর্শন করে।

ওয়েবপেজের নিরাপত্তা

ব্রাউজার একটি ফাইলের অনুরোধ পাঠিয়ে দেওয়ার সাথে সাথেই সার্ভার সেই ফাইলের HTML Tags পাঠিয়ে দেয় সহজেই। অধিকাংশ সার্ভারই তাদের প্রক্রিয়ায় কিছু সুরক্ষার স্তর যোগ করে রাখে। যেমন: কিছু কিছু সার্ভারে প্রবেশ করতে গেলে ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিতে হয়। এর থেকেও বেশি নিরাপত্তা বিশিষ্ট রক্ষার জন্য কিছু কিছু সার্ভার এমন নিরাপত্তা স্তর যোগ করে যাতে সার্ভার এবং ব্রাউজারের সংযোগ এনক্রিপ্টেড থাকে। এরকম নিরাপত্তা যোগ করা হয় অনলাইন ব্যাংকিং সহ অন্যান্য অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের বেলায়।

ওয়েব সার্ভার কোথায় পাবেন

আপনার নিজের কম্পিউটারকে আপনি ওয়েব সার্ভারে পরিণত করতে পারবেন xampp বা wampserver ব্যবহার করে। বাণিজ্যিক/প্রফেশনাল ভাবে সেটা ওয়াল্ড ওয়াইড করতে গেলে অনেক খরচ করতে হয় ব্যাক্তিগত সার্ভার রক্ষাণাবেক্ষনে । আপনি বিভিন্ন সার্ভার কোস্পানীর সার্ভার অল্প টাকায় ব্যবহার করতে পারবেন। নিম্নে কিছু ওয়েব সার্ভার ভাড়া নেওয়ার লিংক দেওয়া হল।

আমাজন বা ব্লুহোস্ট  সার্ভার ব্যবহার করতে গেলে ক্রেডিট/মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে তাদের সেবা নিতে পারেন। আপনার কাছে ক্রেডিট/মাস্টার কার্ড না থাকলেওে আমেরিকা বা ইউরোপের সার্ভার  বিকাশ/রকেট পেমেন্টে কিনতে পারবেন sharewebhost থেকে। sharewebhost  অল্প টাকায় উন্নত ওয়েব সার্ভিস প্রদান করে থাকে।

Desk Bangla
BANGLA DESK is an online portal. The innovation of science and intelligence of Technology, Diversity on climate change, Online life and livelihood, blogging and Blogger. An ultimate helping hand. There will be thousands of online portal every portal have their specialty as our BANGLA DESK giving you the recent collection of science’s innovation, how can you use technology in the best way, online life maintenance, importance of the Internet, online collection and profession, some professional tips and tricks. The everyday weather map is our new addition which can help you to find the Earth’s weather update no matter where you are. Climate change is the talk of the town where we do not only give you an idea or our thoughts but also future aspects and the settlement. And the best part of our writing we always try to give you the easiest definition because we believe all those are not my or your. We love to suppose IT’S OUR and we need your support to carry on our journey. One for all, all for one.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here