অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম

164

মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন খ্যাতনামা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম। ষ্টিফেন হকিংসহ আরও অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধু ও সহকর্মী। তাঁর লেখা গবেষণায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলো আরেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ফ্রিম্যান ডাইসন।

মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। সেই প্রসারণের খোঁজ নিতে গিয়েই বিগব্যাং তত্ত্বের জম্ন হয়। এ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয়, এখনো সে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি কী হতে পারে, সেটা নিয়ে খুব বেশি বিজ্ঞানী সেকালে মাথা ঘামাননি। এই কাজটি করেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম। তখন এ কাজটি কিন্তু সহজ ছিল না। তখনো তড়িৎ মহাবিশ্বের বিষয়টি আসেনি কসমোলজিতে। আবার হয়েল-নারলিকরের স্টেডি ষ্টেট থিওরি বা স্থির মহাবিশ্বের ধারণা পুরোপুরি বাতিল হয়নি। মহাবিশ্বের আকার সমতল, প্যারাবলিক নাকি আবদ্ধ সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো ধারণা ছিল না। তাই সব মিলিয়ে মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি নিয়ে কাজ করাটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। জামাল নজরুল ইসলাম সেই ঝুঁকিটা নিয়েছিলেন। লিখেছিলেন তাঁর কালজয়ী বই আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স। বিখ্যাত কসমোলজিস্ট ফ্রিম্যান ডাইসন পর্যন্ত তাঁর বই পড়ে অনুপ্রানিত হয়েছিলেন।

ক্যারিয়ারের যখন তুঙ্গে অবস্থান করছেন সেই সময় দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন জামাল নজরুল ইসলাম। এ দেশে বিজ্ঞান গবেষণার জন্য একটা উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। প্রয়াত জামাল নজরুল ইসলাম বেঁচে আছের তাঁর বিজ্ঞান সাধনায়। আজ ২৪ ফেব্রূয়ারি নিভৃতচারী এই বিজ্ঞানীর ৮০ তম জম্নদিন।তাঁর জম্নদিন উপলক্ষ্যে বাংলা ডেস্ক আয়োজন করছে বিশেষ নিবন্ধ। বিজ্ঞানে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর অবদান জানতে বাংলা ডেস্কের সাথে থাকুন।